বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডলারের মান কমায় আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে মার্কিন তুলা কেনা আগের চেয়ে সাশ্রয়ী হয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে পণ্যটির চাহিদা ও দাম দুই-ই বাড়ছে। খবর ফাইবার টু ফ্যাব্রিকস।
ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) আগামী জুলাইয়ে সরবরাহ চুক্তিতে তুলার দাম প্রতি পাউন্ডে ২২ সেন্ট বেড়ে ৭৯ ডলার ৩৬ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন ডলারের সূচক দশমিক ২ শতাংশ কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে এ ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি টেক্সাসে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাব তুলা উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে, এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাবও তুলার বাজারে পড়েছে। ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় কৃত্রিম তন্তু বা পলিয়েস্টার তৈরির খরচ বেড়ে গেছে। ফলে পোশাক শিল্পে পলিয়েস্টারের বিকল্প হিসেবে প্রাকৃতিক তুলার ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা আগের তুলনায় বেড়েছে।
তুলার বাজারে এ চাঙ্গা ভাবের মধ্যেও কিছু সীমাবদ্ধতা দেখছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, মৌসুমে বছরের এ সময়ে সাধারণত তুলার আন্তর্জাতিক চাহিদা কিছুটা কমে আসে। এছাড়া ব্রাজিল থেকে তুলা রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। মার্চে ব্রাজিলের তুলা রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। সব মিলিয়ে ডলার ও আবহাওয়া আন্তর্জাতিক তুলার বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।